সাধারণ মানুষের হাসি কান্নায় মিশে আছে ঘোড়শাল ইউপি চেয়ারম্যান

0
6

এম সেলিম,ঝিনাইদহ॥


সাধারণ মানুষের হাসি কান্নায় মিশে আছে ঘোড়শাল ইউপি চেয়ারম্যান পারভেজ মাসুদ লিলটন। ঝিনাইদহ সদর উপজেলার নারিকেলবাড়িয়া গ্রামে ১৪ নং ঘোড়শাল ইউনিয়ন পরিষদ অবস্থিত। জনগণের আপদে বিপদে পাশে দাড়ানো, মারামারি হানাহানি, রাজনৈতিক কলহ মুক্ত একটি ডিজিটাল ইউনিয়ন ঘোড়শাল। এখানে ডিজিটাল সেবা কেন্দ্রের মাধম্যে গ্রামের সাধারণ জনগণ সকল ধরনের সুযোগ সুবিধা পেয়ে থাকে। পূর্বে থেকেই উন্নোয়নশীল হওয়ায় শিক্ষা, স্বাস্থ ও বাস্থান নিরাপদ জীবন যাপনে এই ইউনিয়নের মানুষ অনেক এগিয়ে।

বিগত ৭ই আগষ্ট ২০১১ সালের ইউপি নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ী হবার পর থেকেই বর্তমান চেয়ারম্যান তার ইউনিয়নকে সাজাতে ব্যাস্থ হয়ে ওঠেন। ইউনিয়নের হত দরিদ্রের দারিদ্র বিমোচনের জন্য সর্বদা চেষ্টা করেছেন তাদেরকে স্বাবলম্বী করে গড়ে তুলতে, এজন্য সরকারি বরাদ্দ ছাড়াও নিজের অর্থায়নের মাধ্যমে হত দরিদ্রের পাশে দাড়িয়েছেন। এছাড়াও রাস্তাঘাট, ব্রিজ, কালভাট, মসজিদ, মন্দির, মাদরাসা, স্কুল, কলেজসহ সব খানেই তার উন্নোয়নের ছোয়া লেগে আছে।

বর্তমান সরকারের মানণীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্নের বাংলাকে ডিজিটাল বাংলাদেশ এবং গ্রামকে শহরে রূপান্তরীত করার যে প্রতি¯্রুতি দিয়েছেন, সেই স্বপ্নকে বস্তবায়ন করার লক্ষে তিনি আপ্রান চেষ্টা চেষ্টা করে যাচ্ছে। যার অংশ বিশেষ আজকের এই ইউনিয়নের দৃশ্যমান উন্নোয়ন।
সদর উপজেলার নারিকেল বাড়ীয়া গ্রামের মোঃ সিরাজুল ইসলাম মিয়ার পুত্র বর্তমান ঘোড়শাল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ পারভেজ মাসুম লিলটন। তিনি ৭ই আগষ্ট ২০১১ সালের ইউপি নির্বাচনের বিপুল ভোটে জয়লাভ করার পর চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই ইউনিয়নটি উন্নোয়নের একটি রোল মডেল হিসেবে ক্ষেতি লাভ করেন। যার ফলে ১১ আগষ্ট ২০১৬ সালে আওয়ামী লীগের দলীয় নৌকা প্রতিক পেয়ে আবারো নির্বাচন করেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিএনপি সমর্থীত। সেই নির্বাচনেও তিনি বিপুল ভোটে জয়লাভ করেন। তিনি চেয়ারম্যান হিসেবে শপথ গ্রহণের পর থেকে গ্রামকে শহরে রূপ দেওয়ার জন্য সরকারি অর্থ ছাড়াও নিজে ব্যাক্তি উদ্যোগে বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ অব্যহত রেখেনে।

উল্লেখ স্বাধীনতার পূর্বে ২৭শে অক্টবর ১৯৫৭ সালে বর্তমান চেয়ারম্যানের চাচা মোঃ নুরুল হোসেন মিয়া চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। এর পর ১৯৭১ সাল থেকে ১৯৭৪ সাল পর্যন্ত তাদের জনপ্রীয়তা কমে গেলেও স্বাধীনতার পক্ষে থাকায় ২১শে মার্চ ১৯৭৪ সালে আবারো পারভেজ মাসুদ লিলটনের পিতা মোঃ সিরাজুল ইসলাম মিয়া নির্বাচনের মাধ্যমে বিপুল ভোটের ব্যবধানে নিজেদের অবস্থানকে ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হন। এভাবেই তাদের নেতৃত্বে ইউনিয়নকে উন্নোয়নের দিকে ধাবিত করেন। ইউনিয়ন বাসি যেন সঠিক সেবা পেতে পারে তার জন্য সর্বদা মানব সেবাই নিয়োজিত করে রেখেন চেয়ারম্যান।
পারভেজ মাসুম লিলটন জবাবদিহিকে জানান, আমি এই ১৪নং ঘোশাল ইউনিয়নে পরপর দুই বার নির্বাচিত হয়। বর্তমানে নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত হয়েছি, এতে আমি, আমার পরিবার, আমার এলাকাবাসি গর্বিত । আমার বাবা ছিলেন চেয়ারম্যান, ১৯৭৪ সাল থেকে ১৯৭৭ পর্যন্ত। তারপর ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা হবার পর আমরা আর সেই জায়গা পায়নাই। দির্ঘদিন পর আল্লাহর রহমতে ২০১১ সালে আবার আমি জননেত্রী শেখ হাসিনার আর্শিবাদে চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচনে জয়লাভ করি। দায়িত্ব নেবার পর ইউনিয়নের রাস্তাঘাট, ব্রিজ, কালভাট, স্কুল, কলেজ, মসজিদ, মাদরাসা, মন্দিরসহ সকল উন্নোয়নের কাজ সফলতার সাথে করছি। একটিবাড়ি একটি খামার, জমি আছে ঘর নাই সকল কাজ সফল ভাবে বাস্তবায়ন করেছি। আমার ইউনিয়নে কোন মারামারি, হানাহানি, মামলা মকদ্দমা নাই। যদি কেউ গোলযোগ করে গ্রাম্য আদালতের মাধ্যমে মিমাংসা করে দিয়। এছাড়াও বিগত দুইট্রামে এই ইউনিয়নে যে উন্নোয়ন করেছি বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধন মন্ত্রী শেখ হাসির যে স্বপ্ন গ্রামকে শহর করবে, তার কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যেখান থেকে পেরেছি মাননীয় সংসদ, মহিলা সংসদ, সকলের কাছ থেকে অনুদান নিয়ে এসে আমার ইউনিয়নকে একটি মডেল ইউনিয়ন এবং গ্রামকে শহর করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি, আশা করি আগামিতে সফল হবো। আগামীতে জননেত্রী আমাকে যদি প্রতিক দেয়, তাহলে আমি আবারো নির্বাচন করবো। আর যদি না দেয় তাহলে জনগণ যে রায় দিবে আমি সেটাই করবো।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here