ঢাকার সব বাস ৬ কোম্পানির মাধ্যমে চলবে

0
6

আমার নিউজ ডেক্স: ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন রুটে চলাচলকারী যাত্রীবাহী বাসগুলোকে ৬টি কোম্পানির মাধ্যমে চলবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া। এ বিষয়ে বাস চলাচলের পদ্ধতি ও কৌশল কি হবে তা নিয়ে যাচাই বাছাই ও পর্যালোচনা চলছে উল্লেখ করে তিনি জানান, দ্রুততম সময়ের মধ্যেই এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হবে।

ডিএমপি কমিশনার আরও জানান, আগামী মাসের (এপ্রিল) মধ্যে রাজধানীতে তিনটি এলাকায় সার্কুলার (চক্রাকার) বাস লাইন চালু করা হবে। এলাকা তিনটি হলো- ধানমন্ডি, মতিঝিল ও উত্তরা। এই কার্যক্রমের প্রক্রিয়া ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটি বাস্তবায়নের ফলে সড়কে প্রতিযোগিতামূলক গাড়ি চালানোর প্রবণতা কমবে এবং দুর্ঘটনা হ্রাস পাবে।

রবিবার রাজধানীর সোনারগাঁও ক্রসিংয়ে ট্রাফিক শৃঙ্খলা সপ্তাহ উদ্বোধন কালে ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া এসব কথা বলেন। ট্রাফিক সপ্তাহে চলছে আগামী ২৩ মার্চ পর্যন্ত।

সড়ক দুর্ঘটনার জন্য পথচারীদের অসচেতনতাকে দায়ী করে কমিশনার বলেন, আমরা আইন মানতে চাই না। আইন না মানার সংস্কৃতি আমাদের বড় সমস্যা। এ সময় তিনি সমাজের দায়িত্বশীল ব্যক্তিবর্গকে আইন মানার এবং আইন মানতে উৎসাহিত করার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, ‘সবাইকে ট্রাফিক পুলিশকে সহযোগিতা করতে হবে, ট্রাফিক আইন মানতে হবে। সবার আইন মানার মানসিকতা ও আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল না থাকলে সুশৃঙ্খল ট্রাফিক ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব না’।

সুশৃঙ্খল ট্রাফিক ব্যবস্থা গড়তে সকলের সহযোগিতা চেয়ে কমিশনার বলেন, সড়কের শৃঙ্খলা ফেরাতে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তারপরও আইন না মানার প্রবণতার ফলে সব চেষ্টা বিফলে যাচ্ছে। এ জন্য সকলকে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে আইন মানতে হবে।’

ঢাকা মহানগরীর জনসাধারণকে ট্রাফিক আইন মেনে চলতে উদ্বুদ্ধকরণ এবং ট্রাফিক শৃঙ্খলার উন্নতিকল্পে এই ট্রাফিক সপ্তাহ পালন করা হচ্ছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার শহরবাসী কোরশী, মীর রেজাউল আলম ও কৃষ্ণপদ রায়, রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার মোহাম্মদ মারূফ হোসেন সরদারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

এর আগেও নগরীর ট্রাফিক ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং ট্রাফিক শৃঙ্খলা আনয়নের লক্ষ্যে ট্রাফিক সচেতনতা পক্ষসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়। এ উপলক্ষে ট্রাফিক গাইড বুক প্রকাশ ও প্রচার, ট্রাফিক আইন সম্পর্কে ধারণা দেওয়া, টার্মিনালে সভা-সমাবেশ, সচেতনতামূলক ভিডিও প্রদর্শন, লিফলেট, পোস্টার বিতরণ, পথচারীদের ফুটওভার ব্রিজ, আন্ডারপাস ও জেব্রাক্রসিং দিয়ে রাস্তা পারাপারে উদ্বুদ্ধকরণসহ সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here