ডাক্তাররা কসাই, রক্তচোষা, দয়ামায়া হীন ইনসান!

0
7

মোঃ রাব্বি আলম ডিজু(স্টাফ রিপোর্টার): ডাক্তাররা কসাই, রক্তচোষা,  দয়ামায়া হীন ইনসান! এই কথাগুলো ডাক্তারদের উদ্দ্যেশ্যে ডেলিভারি দিতে পারলে শরীরে আলাদা একপ্রকার জোর আসে! আনন্দে মন ভরে উঠে,  আহা কামের মতন এক্কান কাম করলাম বলে ঝেমাঝে বিনা টিকেটে সার্কাস  দেখতে মন চাইলে মহেশখালী হাসপাতালে ছুটে যায় ! প্রশিক্ষন  ছাড়া কি নিখুত  ভাবে ডাক্তার আর স্টাফরা সার্কাস প্রদর্শন করেন ৷  উপরোক্ত কথাগুলো  দেখতে শুনতে খারাপ দেখালেওআমাদের হাসপাতালের বর্তমান চিত্র এরচেয়ে সিরিয়াস ৷আমরা গরীব জনগোষ্ঠীর অংশ অসুখে-বিসুখে দৌড় লাগাতে হয় ফি সাবিলিল্লাহ হাসপাতালে ৷সামর্থ্যআর আয় ব্যায়ের লাগামহীনতার দরুন এখানেই সুস্থতা, না হয় এখানেই মৃত্যুর বার্তা রচনা হয়ে যাই!মহেশখালীর প্রায় ৪ লক্ষ ২১ হাজার জনগোষ্ঠীর একমাত্রচিকিৎসা কেন্দ্র ৫০ শয্যা বিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি ৷প্রসূতি ওয়ার্ড+ শিশু ওয়ার্ড + মহিলা ওয়ার্ড + পুরুষ ওয়ার্ড মিলে দৈনিক গড়পড়তা রোগীর ভর্তিসংখ্যা প্রায় ১৫০জন ৷আউটডোরে চিকিৎসা গ্রহণ করে গড়পড়তা দৈনিক প্রায় ৫০০ জন নিয়মানুযায়ী ডাক্তারের পদ সংখ্যা প্রায় ২৮ টি, তারমধ্যে কর্মরতআছে মাত্র ৪ জন, প্রশাসনিক কর্মকর্তা দুজন আপাততঃ হিসেবের বাইরে তাহলে ২৮÷৪= ৭ জন ৷ওয়াও, রোবটিক ডাক্তার ৷ একজনে ৭ জনের দায়ীত্বসামলাচ্ছেন, পালন করছেন ৷ তাই সকাল না হতেই সার্কাস সার্কাস খেলা শুরু হয় ৷একদৌড়ে আউটডোর টু ইনডোর, ইমার্জেন্সি টু সেমিনার টু আল্ট্রাসনোগ্রাফিটু টেলিমেডিসিন টু ফি সাবিলিল্লাহ ৷পরিচ্ছন্নতা কর্মীর প্রয়োজন প্রায় ১৫ জন তারমধ্যে ধারকৃত দুজন পৌরসভার সুইপার কে দেখভাল করতে হয় পুরো পরিষ্কারপরিচ্ছন্নতার কার্যক্রম!মঙ্গলগ্রহের  ন্যায় এক্সরে মেশিন আছে, ভবন আছে এলিয়েন  (টেকনিশিয়ান) নাই!এম্বুলেন্স আছে,  মাষ্টার (ড্রাইভার) নাই ৷ প্রতিটিইউনিটেই প্রচুর স্টাফ সংকট তো রয়েছেই তবুও  কোন রকমে জোড়াতালি দিয়ে চলে যাচ্ছে চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম  তা সম্ভব হচ্ছে একমাত্র হাসপাতাল কতৃপক্ষের আন্তরিকতার কারনে !

 হাসপাতালে ৷ সামর্থ্যআর আয় ব্যায়ের লাগামহীনতার দরুন এখানেই সুস্থতা,  না হয় এখানেই মৃত্যুর বার্তা রচনা হয়ে যাই!মহেশখালীর প্রায় ৪ লক্ষ ২১ হাজার জনগোষ্ঠীর একমাত্রচিকিৎসা কেন্দ্র ৫০ শয্যা বিশিষ্ট  উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি ৷ প্রসূতি ওয়ার্ড+ শিশু ওয়ার্ড + মহিলা ওয়ার্ড + পুরুষ ওয়ার্ড  মিলে দৈনিক গড়পড়তা রোগীর ভর্তিসংখ্যা প্রায় ১৫০জন ৷আউটডোরে চিকিৎসা গ্রহণ করে গড়পড়তা দৈনিক প্রায় ৫০০ জন নিয়মানুযায়ী ডাক্তারের পদ সংখ্যা প্রায় ২৮ টি, তারমধ্যে কর্মরতআছে মাত্র ৪ জন, প্রশাসনিক কর্মকর্তা দুজন আপাততঃ হিসেবের বাইরে তাহলে ২৮÷৪= ৭ জন ৷ওয়াও, রোবটিক ডাক্তার ৷ একজনে ৭ জনের দায়ীত্বসামলাচ্ছেন, পালন করছেন ৷ তাই সকাল না হতেই সার্কাস সার্কাস খেলা শুরু হয় ৷একদৌড়ে আউটডোর টু ইনডোর, ইমার্জেন্সি টু সেমিনার টু আল্ট্রাসনোগ্রাফি টু টেলিমেডিসিন টু ফি সাবিলিল্লাহ ৷ পরিচ্ছন্নতা কর্মীর প্রয়োজন প্রায় ১৫ জন তারমধ্যে ধারকৃত দুজন পৌরসভার সুইপার কে দেখভাল করতে হয় পুরো পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার কার্যক্রম!মঙ্গল গ্রহের ন্যায় এক্সরে মেশিন আছে,  ভবন আছে এলিয়েন (টেকনিশিয়ান) নাই!এম্বুলেন্স আছে, মাষ্টার (ড্রাইভার) নাই ৷ প্রতিটি ইউনিটেই প্রচুর স্টাফ সংকট তো রয়েছেই  তবুও কোন রকমে জোড়াতালি দিয়ে চলে যাচ্ছে চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম  তা সম্ভব হচ্ছে একমাত্র হাসপাতালকতৃপক্ষের আন্তরিকতার কারনে!

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here