ঝিনাইদহে লাইসেন্স বিহীন ইটভাটার ছড়াছড়ি, পুড়ছে গাছ

0
7

আমার নিউজ২৪ডেক্সঃ
ঝিনাইদহ জেলায় লাইসেন্স বিহীন অবৈধ ইট ভাটার ছড়াছড়্ ।ি আর বেশির ভাগ ভাটায় ইট পোড়াতে কাঠ পুড়ছে। ঘটছে পরিবেশ দুষন। ঝিনাইদহ জেলায় কত ইটভাটা আছে তার হাল নাগাদ তথ্য জেলা প্রশাসকের অফিসে নেই। প্রতি বছর ভাটার সংখ্যা বাড়ছে। বর্তমানে জেলায় শতাধিক ইট ভাটা আছে। এরমধ্যে ১২টি ভাটার লাইসেন্স আছে। বাকি গুলো বিনা লাইসেন্সে চালিয়ে যাচ্ছে। এর পাশাপাশি পরিবেশ অধিদপ্তর থেক্ওে অনুমতি নিতে হয়। এ সবের তোয়াক্কা করেন না ভাটা মালিকেরা। ফসলী জমিতে ইট ভাটা করা যাবে না। সরকার আইন করেছে।্ আইনের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে এক শ্রেনীর মালিক ফসলী জমিতে ভাটা তৈরি করছে। কাঠ দিয়ে ইট পোড়ানো যাবে না। বেশির ভাগ ভাটা মালিক কাঠ দিয়ে ইট পোড়াচ্ছে। আর পরিবেশ বান্ধব চিমনি তৈরি করতে হবে। অনেক ভাটা মালিক এখনো ব্যারেলের চিমনি ব্যবহার করছে। পদে পদে ভাটা মালিকেরা আইন অমান্য করে চলেছেন। জেলা ইটভাটা মালিক সমিতির সভাপতি মাহমুদুল ইসলাম ফোটন বলেন, ঝিনাইদহ জেলায় এক’শ এর বেশি ভাটা আছে। কিছু সংখ্যক ভাটা কাঠ দিয়ে ইট পোড়াচ্ছে বলে তিনি স্বীকার করেন। তিনি জানান, কাঠের চেয়ে কয়লায় ইট পোড়ানোর খরচ কম। এবার এক টন কয়লা ভাটায় পৌঁছানোর খরচ ১২ হাজার টাকা। এক লাখ ইট পোড়াতে ২০ টন কয়লা লাগে। এতে ব্যয় হয় দু লাখ ৪০ হাজার টাকা। আর এক লাখ ইট পোড়াতে আড়াই হাজার মন কাঠ লাগে। এক মন কাঠ বিক্রি হচ্ছে এক’শ ২০ – ২৫ টাকা করে। এক লাখ ইট পোড়াতে প্রায় ৩ লাখ টাকার কাঠ লাগে। তাছাড়া কয়লায় পোড়ানো ইটের মান ভাল হয় বলে তিনি আরো জানান। জেলা প্রশাসক সরোজ কুমার নাথ বলেন, বে আইনী ভাবে চালানো ভাটা মালিকদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here