ঝিনাইদহে নির্বাচন পরবর্তী দু-গ্রুপের মধ্যে সহিংসতা ও লুটপাট

0
8

আমার নিউজ ডেক্স: গত রবিবার রাত সাড়ে ৮ থেকে প্রায় সাড়ে ১০ টা অবধি উপজেলা নির্বাচন পরবর্তী ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ফুরসন্ধি ইউনিয়নের টিকারী, দিঘিরপাড়,সান্ধা লক্ষীপুর সহ কয়েকটি গ্রামের নৌকা ও বিদ্রোহী প্রার্থী দোয়াত কলম সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া, ২৫টি বাড়ি ভাংচুর, একটি দোকান লুট, গরুর গোয়াল,দোকানপাট, পাওয়ার ট্রিলার ভাংচুর, গাভীকে প্রহর, ২৩ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ ৫০ হাজার টাকা লুট, খড়ের গাঁদায় অগ্নি সংযোগের ঘটনা ঘটেছে। সাবেক চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি সহিদ শিকদার এবং বর্তমান চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ এর সাধারন সম্পাদক আঃ মালেক মিনা এর সমর্থকদের মধ্যে এ সহিংসতা ঘটে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়।

টিকারি গ্রামের প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায় যে রবিবার রাত সাড়ে ৮ তার দিকে নৌকার বিজয় মিছিলের নামে হটাত করে নীল কমল বিশ্বাস, সন্তোষ, প্রফুল্ল বিশ্বাসের নেতৃত্বে প্রায় ৪/৫ শত জনের নৌকার একটি বিজয় মিছিল টকারি গ্রামের হিন্দু পাড়ায় প্রবেশ করে এই পাড়ার প্রায় ১৭ টি বাড়িতে আতংক সৃষ্টি করে ঘরের বেড়া ও টিনের চাল বাড়তে থাকে। এই সময়ে হেমচন্দ নামের একজনে বাড়ি থেকে ২৩ ভরি আরও একজনের বাড়ি থেকে ১ ভরি স্বর্ণ লংকার এবং ২০ হাজার টাকা এবং অসিত নামের একজনের বাড়ি থেকে ৫০ হাজার টাকা লুট পাঠ করে নিয়ে যায়। তাছাড়া তাদের দুই টি গুরু নিয়ে যায়। পরে গরু ছেড়ে দেয়। এই ঘটনার পর রাত ৯ টার দিকে দিঘীর পাড় গ্রামে ৫/ ৬ বাড়িতে দোয়াত কলমের সমর্থক গন একই ভাবে ত্রাস সৃষ্টি করে। এই সময়ে বাড়িতে কাউকে না পেয়ে একটি গরুরকে কয়েকটি বাড়ি মারে।তারপর দিঘীর পাড়ের নৌকার সমর্থক গন একটি বাড়িতে বিচালির গাদায় আগুন ধরিয়ে দিয়ে পালিয়ে যায়।
ফুরসন্দি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান সহিদ শিকদার জানায় যে নৌকার বিজয় মিছিল বাজার প্রদক্ষিণ করার পর কিছু বিশৃঙ্খল কতিপয় লোকজন পূর্ব শত্রুতার জের ধরে কয়েকটি বাড়ির লোকজন কে হুমকি ধুমকি দিয়েছে। কোন লুটপাঠ হয়নি। মালেক চেয়ারম্যান হওয়ার পর ওরা নীল কমল বিশ্বাস ও সন্তোষের মায়ের মার ধর করেছিল। কিন্ত দিঘীরপাড় গ্রামের ইউপি সদস্য আলিম উদ্দিনে নেতৃত্বে প্রায় ৬/৭ টি বাড়ি ভাঙচুর করেছে।
বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মালেক মিনা জানায় যে নৌকার বিজয় হওয়ার পর সাবেক চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে টিকারি গ্রামের প্রায় ২৫ টি বাড়িতে হামলা চালায়ে সন্ত্রাস সৃষ্টি করে ২৪ ভরি স্বর্ণ অলংকার ও ৭০ হাজার টাকা একটি দোকানের মালামাল সহ একটি টিভি লুঠপাঠ করে নিয়ে গেছে। এই সময়ে টিকারি গ্রামের পায় ২০/২৫ জনে কে ঝিনাইদহ সদর থানার গোল ঘরে বসে থাকতে দেখা যায়।

ঝিনাইদহ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মিজানুর রহমান খানের সাথে মোবাইলে ২ দফা যোগাযোগের চেষ্টা করলে সে মোবাইল রিসিপ না করার কারনে মামলা হয়েছে কি না জানা যায় নি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here