ঝিনাইদহের উত্তর নারায়নপুর গ্রামের ১৮ বছরের রাজু হরমনের সমস্যার কারনে শিশুই রয়ে গেল

0
16

গিয়াস উদ্দীন সেতুঃ ঝিনাইদহ সদর উপজেলার উত্তরনারায়নপুর গ্রামের মনিরুজ্জামান মিঠুর ছেলে ইমতিয়াজ হোসেন রাজু বয়স তার ১৮ ,কিন্তু রাজু বয়সের তুলনায় শরীরের বৃদ্ধি ঘটেনি মাত্র ৪ ফুট উচ্চাতা ,যার করনে আচর শিশুর মতই রয়েগেছে।
রাজু ঝিনাইদহ সদর উপজেলা ৩নং সাগান্না ইউনিয়নের উত্তরনারায়ন পুর গ্রামের মিঠু দর্জির ছেলে আর দশটা শিশুর মতই পৃথিবীতে আসা। কিন্তু সবার মত সে বেড়ে ওঠেনি। সেই করনে সমাজে তাকে অনেক সমস্যার সম্মখীন হতে হয়। গরীব বাবা অনেক বার ডাক্তার দেখিয়েছেন ডাক্তার জানিয়েছে তার শরীরে হরমনের সমস্যার করনে সে অন্য দশটা শিশুর মতো বেড়ে উঠেনি । আর এ চিকিৎসা করাতে গিয়ে দার্জি পিতার সবকিছুই শেষ হয়ে গেছে। একমাত্র বসত বাড়ির ভিটে ছাড়া কোন জায়গা জমিই নেই। যার কারনে তার পিতা মিঠু সমাজের বিত্যবানদের কাছে সাহায্য চেয়েছেন একান্ট নং ৪০৪০ইসলামী ব্যাংক ডাকবাংলা শাখা ঝিনাইদহ,মোবাইল নং ০১৯১৭২০৭৯৫৪।
রাজুর মা জানান, ছোট অবস্থায় সে খুব কান্না কাটি করতো। হাটা শিখছে এমন অবস্থায় তার শরীরে মাংস পেশি শক্ত হতে লাগলো এরপর ডাক্তারের কাছে নেওয় হয় ,কিছু চিকিৎসা করানো পর সে অনেকটা স্বভাবিক হল কিন্তু অর্থের অভাবে ভালো চিকিৎসা করানো হয়নি। গত বছর ভারতের কোলকাতা পিজি ডাক্তার শুভদ্বীপ পরামানিকের নিকট চিকিৎসা করানো হচ্ছে। ডাক্তার জানিয়েছে তার শরীরের হরমন জনিত কারনে এমন অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। আরও আগে থেকে চিকিৎসা করাতে পারলে ভালো হত।
রাজুর পিতা জানান, নিজে একজন দরিদ্র দর্জি শ্রমিক হিসাবে কাজ করছি অন্যর দোকানে। যে টাকা আয় হয় তা দিয়ে কোন রকম সংসার চলে। ছেলেকে চিকিৎসা করাতে গিয়ে সব কিছুই শেষ হয়ে গেছে। এখন নিজের ভিটে বাড়ি ছাড়া কোন কিছুই নেই।শন্তানের চিন্তায় নিজেও অসুস্থ হতে চলেছি। আমার ছেলের ও সমাজে বাচার স্বপন আছে,সে লেখাপড়া করতে চাই। ছাত্র হিসাবে একে বারে খারাপ না কিন্তু যত দিন যাচ্ছে ততই মন ভেঙ্গে যাচ্ছে,টাকা পয়শা না থাকাই, ছেলের চিকিৎসা নিয়ে অন্ধকারে পড়ে গেছ্ ি। যাদি আমার ছেলের জন্য সমাজের সকল শ্রেণীর মানুষ এগিয়ে আসতো তবে হইতোবা ছেলের ভালো হতে ,নইতে বাবা হিসাবে নিজেকে কখণে ক্ষমা করতে পারবো না।আজপর্যন্ত ছেলের জন্য সরকারি ভাবে কোন বাতা পাইনি ,কোন চেয়ারম্যান মেম্বর খোজ নেইনি।
এবিষয়ে ৩নং সাগান্না ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আল মামুন জানান, আমি ছেরেটির সম্পর্কে শুনেছি। তার কাগজপত্র দেবার কথা বরেছি। এখনও হাতে পাইনি। তার প্রতিবন্ধি ভাতা করে দেব,খুব শিগ্রায়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here