কোটচাঁদপুরের তোয়াজ উদ্দিন এর খুঁটির জোর কোথায়।

0
157
কোটচাঁদপুরের তোয়াজ উদ্দিন এর খুঁটির জোর কোথায়।
কোটচাঁদপুরের তোয়াজ উদ্দিন এর খুঁটির জোর কোথায়।

মারপিট করে হাত- পা ভেঙ্গে দেয়ায় কোটচাঁদপুরের তোয়াজ উদ্দিন ও তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী মাটি ব্যবসায়ি জাহাঙ্গীর হোসেন। এর আগে পুলিশ ও গণমাধ্যম কর্মীকে
মারপিট করার অভিযোগও রয়েছে তাদের বিরুদ্ধ।

কোটচাঁদপুরের তোয়াজ উদ্দিন এর খুঁটির জোর কোথায়।
কোটচাঁদপুরের তোয়াজ উদ্দিন এর খুঁটির জোর কোথায়।

জানা যায়,গেল বছর পুকুর কাটার জন্য মাটি বিক্রির চুক্তি হয় জাহাঙ্গীর হোসেনের সঙ্গে তোয়াজ উদ্দিন ও তাঁর পরিবারের। ওই সময় টাকাও দেন তাদের। তবে মাটি কাটার আগেই বৃষ্টি শুরু হয়। এতে করে পুকুর খনন না করে ভেকু নিয়ে চলে যান তারা । চুক্তি অনুযায়ী এ বছর মাটি কাটার কথা তাদের। রবিবার পুকুর দেখতে আসেন জাহাঙ্গীর হোসেন। ওই সময় দেখতে পান তোয়াজ উদ্দিন ও তাঁর পরিবারের লোকজন ভেকু নামিয়ে পুকুরের মাটি কাটছে। বিষয়টি নিয়ে বাক-বিতন্ডতা হয় উভয়ের মধ্যে। এক পর্যায়ে তারা জাহাঙ্গীর হোসেনকে মারতে থাকে। এ সময় তার চিৎকারে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন এবং তাকে উদ্ধার করেন।পরে জাহাঙ্গীরকে মহেশপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গিয়ে ভর্তি করান। বর্তমানে সে ওই কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ভুক্তভোগী জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, গেল বছর পুকুরের মাটি বিক্রির করার জন্য চুক্তি হয় তোয়াজ উদ্দিন ও তাঁর পরিবারের সঙ্গে। টাকা ও দেয়া হয়। সে অনুযায়ী এ বছর মাটি কাটার কথা। রবিবার পুকুর দেখতে এসে চোখে পড়ে সারি মাটি টানা টলার,পুকুরে মাটি কাটছে ২ টি ভেকু। বিষয়টি জানতে চাইলে গালি-গালাজ শুরু করেন। এক পর্যায় তোয়াজ উদ্দিন, তাঁর ছেলে পারভেজ, ভাইপো রয়েল সহ বেশ কয়েক আমার উপর হামলা করেন। পরে স্থানীয়রা এসে আমাকে উদ্ধার করেন। এ ঘটনায় কোটচাঁদপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।

এদিকে পাল্টা অভিযোগ করেছেন তোয়াজ উদ্দিন ও তাঁর পরিবার, বলেন গেল বছর মাটি কাটার জন্য চুক্তি হয়। যা এক মাসের মধ্যে সম্পন্ন করার কথা। তারা চুক্তি মোতাবেক কাজ শেষ করতে পারেননি। এতে করে আমরা দেড় লাখ টাকার ক্ষতি গ্রস্ত হয়েছি। আর তাদের সঙ্গে মাটি নিয়ে কোন চুক্তি ছিল না। চুক্তি হয়ে ছিল ভাটা মালিক সাত্তার মিয়ার সঙ্গে। তারা আমার কাছে চাঁদা দাবি করতে এসেছিল। চাঁদা না পেয়ে মারতে যায়। এ সময় ধস্তাধস্তিতে হয়তো তার হা- পা ভেঙ্গে যেতে পারে।

উল্লেখ্য ২০২১ সালের প্রথম দিকে তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে কোটচাঁদপুর থানা পুলিশের সঙ্গে বাক -বিতন্ডতায় জড়ান তোয়াজ উদ্দিন ও তাঁর পরিবার । পরে পুলিশের গায়ে হাতও তোলেন তারা। এছাড়া গত ৩০ ডিসেম্বর তাদের একটা বিবাদমান জমি নিয়ে সংবাদ সংগ্রহে গেলে হামলার শিকার হন গণমাধ্যম কর্মী রমজান আলী । তার অভিযোগ তোয়াজ উদ্দিন এর নিকট আত্মীয় পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা হাওয়ায় মামলা নেয়নি থানায়। উল্টো আমার নামে একটা চাঁদাবাজির অভিযোগ দায়ের করেন। পরে কোর্টের সরনাপন্ন হয়ে মামলা দায়ের করলে কোর্ট তদন্তের জন্য মডেল থানা বরাবর চিঠি দিলেও আজ পর্যন্ত আলোর মুখ দেখেনি আমার তদন্ত প্রতিবেদন টি। গতকালের ঘটনার
ব্যাপারে কোটচাঁদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ মঈন উদ্দিন জানান, ওই মারা মারির ঘটনায় এখনও মামলা হয়নি। তদন্তাধীন রয়েছে। অন্যদিকে তারাও একটা চাঁদাবাজির অভিযোগ করেছেন থানায়।

স্টাফ রিপোর্টার

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here