কালীগঞ্জকে মাদকের ট্রানজিড হিসাবে ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না: এমপি আনার

0
7

আমার নিউজ24 ডেক্স: এক সময় যে কালীগঞ্জ মাদকের আকড়ায় পরিণত হয়েছিল, দেশের মাদক ব্যবসায়ীরা কালীগঞ্জ শহরকে মাদকের ট্রানজিড হিসাবে ব্যবহার করতো,শহরের বিভিন্ন এলাকায় এক শ্রেণীর ব্যবসায়ীরা মাদকের ছোট-বড় অনেক স্পটও গড়ে তুলেছিল আজ সেই কালীগঞ্জ অনেকটায় মাদকমূক্ত। আর এটা সম্ভব হয়েছে স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, সংবাদকর্মী ,সর্বোপরি জনসাধারনের সার্বিক সহযোগীতায়। রোববার সকালে ঝিনাইদহ কালীগঞ্জ বাস টার্মিনালে মাদক ও জঙ্গিবাদ বিরোধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় স্থানীয় সাংসদ আনোয়ারুল আজিম আনার উপর্যুক্ত কথাগুলো বলেন। কালীগঞ্জ ডায়াবেটিস সমিতি, মোচিক সমবায় সমিতি ও কালীগঞ্জ পৌর মহিলা সমিতির যৌথ আয়োজনে মাদক ও জঙ্গিবাদ বিরোধী সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক সরোজ কুমার নাথ। অনুষ্ঠানে মাদকের ভয়াবহতা সম্পর্কে জনসচেতনতা সৃষ্টিতে আরও বক্তব্য রাখেন ঝিনাইদহ পুলিশ সুপার হাসানুজ্জামান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সূবর্ণা রানী সাহা, মোচিকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইউসুফ আলী শিকদার, ঝিনাইদহ মাদক নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আজিজুল হক, থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইউনুচ আলী, ইউপি চেয়ারম্যান আইয়ূব হোসেন,কালীগঞ্জ পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত মেয়র আশরাফুল আলম, জেলা পরিষদ সদস্য  জাহাঙ্গীর হোসেন সোহেল, মোচিক সমবায় সমিতির সাধারন সম্পাদক গোলাম রসুল, উপজেলা ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মিঠু মালিথা, পৌর মহিলা সমিতির নেত্রী মিনা রানী ভট্রাচার্য প্রমূখ। প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এমপি আনার আরও বলেন,কালীগঞ্জ শহরের সব থেকে বড় মাদকের স্পট ছিল আড়পাড়া, নদীপাড়া, ব্রিকফিল্ড এলাকায়। সেখান থেকে মাদক নির্মূল করে গড়ে তোলা হয়েছে শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম। আজ সেখানে কালীগঞ্জের ছেলে মেয়েরা খেলাধুলা করছে। এরপর থেকে কেউ কোন মাদক ব্যবসায়ীকে ধরিয়ে দিতে পারলে ১০ হাজার টাকা পুরস্কারেরও ঘোষনা দেন তিনি। তিনি বলেন,বর্তমানে বাংলাদেশ আ.লীগ সরকারের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ইতোমধ্যে মাদক ও জঙ্গিবাদমুক্ত দেশ গড়ার জন্য অঙ্গিকারাবদ্ধ। কাজেই তার সে ঘোষনা বাস্তবায়ন করতে সকলের সহযোগীতা প্রয়োজন।  
পুলিশ সুপার হাসানুজ্জামান বলেন, মাদকের সাথে কোন আঁতাত নেই। মাদকের প্রতি তারা জিরো টলারেন্স দেখাবেন। তিনি মাদক ব্যবসায়ীদের প্রতি হুসিয়ারী উচ্চারণ করে বলেন, আপনাদের ১৫ দিন সময় দিচ্ছি। এর মধ্যে আপনারা আত্মসমর্পণ করেন। মাদকের পিছনে যারা অর্থ লগ্নি করছেন তাদেরকে আইনের আওতায় আনা। আর পুলিশের কেউ যদি মাদকের সাথে যুক্ত থাকে তাহলে তাকে আর চাকুরী করতে হবে না, জেলে যেতে হবে। 
সমাবেশে শিক্ষক, সাংবাদিক, ইউপি চেয়ারম্যান, মেম্বর, রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি, বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক দলের নেতৃবন্দসহ বিভিন্ন শ্রেনী পেশার নারী-পুরুষ উপস্থিত ছিলেন। সমাবেশটি সার্বিকভাবে পরিচালনা করেন, শহীদ নুর আলী কলেজের সহকারি অধ্যাপক সুব্রত নন্দী।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here